🌺কালীঘাটের মা কালী ও শ্রীশ্রী রামঠাকুর🌺
শ্রীশ্রী ঠাকুরের আদেশ প্রাপ্ত হয়ে ডাঃ দাসগুপ্ত সানন্দে কালীঘাটের মা কালীকে পুজো আর দরিদ্র নর নারায়নের প্রসাদ পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
দরিদ্র নর নারায়নদের প্রসাদ গ্রহনের সময় দাসগুপ্তকে সাবধান হতে নির্দেশ দিয়ে ঠাকুর বললেন- "দেখিবেন তাহারা পরস্পর ঝগড়া-ঝাটি, অশ্লীল গালাগালি, কুত্সিত আচরণ করিতেছে। আপনি সেদিকে দেখিবেন না। আপনাদের দেখিয়া সঙ্গে সঙ্গে তাহারা চক্ষু বুজিয়া কেহ কালী-কালী, কেহ শিব-শিব, কেহবা হরি-হরি জপ করিতেছে। আপনি এগুলি দেইখ্যা রাগ করিবেন না। হাত জোড় কইরা পরের দিন সকলকে প্রসাদ গ্রহনের নিমন্ত্রণ কইরা আসবেন অতি শ্রদ্ধায়।"
পূজার দিনে মাছের ভোেগ তৈরী করে দক্ষিনা কালীর পূজা হলো কালীঘাটে। প্রচুর পরিমানে প্রসাদ পেয়ে দরিদ্র নরনারায়ন সবাই তুষ্ট ও আনন্দিত। ডাঃ দাসগুপ্ত তখন নাট মন্দিরে সমাহিত চিত্তে গুরু প্রদত্ত নাম জপ করছেন। পূজা শেষ হতে একজন পাণ্ডা ছুটে এসে ধ্যান মগ্ন দাসগুপ্তকে নিয়ে গেলেন মন্দিরের গর্ভগৃহে আশীর্বাদের জন্য। দাসগুপ্ত সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে উঠে তাকালেন মায়ের মুখের দিকে। কিন্তু একী! কোথায় মা, এ যে ঠাকুরের মুন্ডমালিনী রূপ। মায়ের আসনে হাসিমুখে বসে আছেন শ্রীশ্রী ঠাকুর। গলায় তাঁর মুণ্ডমালা ও লাল জবার মালা। পায়ে লালফুলের সচন্দন ডালি। ঠাকুরের পাদপদ্মে সিঁদুরের লাল আভায় শ্রীপদ আলোকোজ্জ্বল। পর মুহূর্তেই আবার দেখতে পেলেন দক্ষিনাকালীর বিমোহিত রূপ। এ এক অদ্ভুত অবস্থা।
জয় কালীঘাটের মা কালী ও জয় শ্রীশ্রী রাম ঠাকুর।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)
.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: